Showing posts with label ব্লগর ব্লগর. Show all posts
Showing posts with label ব্লগর ব্লগর. Show all posts

Tuesday, 23 June 2009

অভিমান

নাহয় আমি চলেই যাব, অনেকখানি দূর।
তবু মনের মাঝে বাজবে না কি
বাঁধন ছেঁড়ার সুর?
সেই সুরেতে সুর মিলিয়ে
ইচ্ছেগুলো দেয় যে হানা
বন্ধ ঘরে কেঁদেই মরে
ডানা তাদের মিলতে মানা!

নাহয় আমি অবুঝ খুবই চাওয়া-পাওয়ার খেলায়,
তাই কি বসে হিসাব কষি
একলা বিকেলবেলায়?
সোনারঙের বিকেলগুলো
এখন শুধুই হলুদ লাগে;
ঝরাপাতা, ভেজা রুমাল-
তাই কি মনে জাগে?

নাহয় আমি নাই বা হলাম নরম আলোর ভোর,
তাই বলে কি নেইকো কোথাও
একটুখানি জোর?
যে জোরেতে চাইছি আজও
আঁকড়ে ধরতে হাত...
শেষ না হয়ে বেড়েই চলে
আমার দীর্ঘতর রাত।

নাহয় আমি বলেই চলি, কিছুই হয়তো বুঝিস না;
শুধু বৃষ্টি হয়ে ঝরব যখন...
আড়াল খুঁজিস না!

Friday, 29 May 2009

মঙ্খারাপের রাতে...

লিখতে গেলাম মনখারাপ, হয়ে গেল মঙ্খারাপ। টাইপ করে বাংলা লেখার এই এক মজা। আরো মজা লাগল এই ভেবে যে মঙ্খারাপটা মোটেই মনখারাপের মত নয়, বরং শুনতে অনেকটা ময়ূরপঙ্খী ময়ূরপঙ্খী! J ইশ! কবিতা লিখতে পারলে একটা মঙ্খারাপের নৌকা ভাসাতাম! নাহলে একটা বেশ রাজপুত্তুরের গল্প, যেখানে রাজপুত্তুর স্বপ্ন দেখে। রোজ তার স্বপ্নে আসে এক সুন্দরী পরী। সাদা রঙের ফ্রক আর চোখে একটা ইয়াব্বড়ো সানগ্লাস! কিন্তু পরী থাকে অনেক দূরে। আর রাজপুত্তুরের কাছে তো শুক-সারী কেউ নেই। তাই তাকে কেউ বলেও দিতে পারে না পরী কোথায় থাকে? এদিকে কোনো কারণ ছাড়াই রাজপুত্তুরের গোমড়ামুখ। আর সেই যুগও তো আর নেই যে রাজপুত্তুরের বাবার রাজার মত হাল। আমাদের রাজপুত্তুর খুব সাধারণ। তাই তার মোবাইল আছে। কিন্তু মোবাইলের ব্যালান্স শুধুই শেষ হয়ে যায়।L আর পরীর সঙ্গে তো যতই কথা বলে, ততই মনে হয় কি যেন রয়ে গেল বাকি! এই যাহ্‌! না না। গল্পটা গুলিয়ে গেছে।L এরকম না! কোথায় রাজপুত্তুর পরীর খোঁজে মঙ্খারাপের নৌকো করে বেরিয়ে পড়বে সাতসমুদ্র আর তেরো নদী পার করতে, তা না কোত্থেকে হতচ্ছাড়া মোবাইল এসে হাজির হল। সব ওই মঙ্খারাপের খেলা! দেখতে শুনতে ময়ূরপঙ্খী হলে কি হবে, আসলে তো ছদ্মবেশী মনখারাপ।

পুনশ্চঃ

নাহ্‌। পুনশ্চ বলে খেয়াল হল কি ভেবেছিলাম ভুলে গেছি! L

Thursday, 28 May 2009

আজি হতে কত বর্ষ পরে?

জয়িতা,

দেখতে দেখতে আরো এক বছর হয়ে গেল। আমার এখনো জানিস বছরটা অনেকগুলো দিনে শুরু হয়। আলাদা আলাদা ক্যালেন্ডার প্রত্যেকটা দিনের জন্য! J সেইরকম অনেকগুলো দিনের একটা দিন আজ। আর সেইজন্যেই এই চিঠি লিখতে বসা। এখন তো আর আমাদের অত চিঠি লেখাই হয় না! মনে আছে প্রথম প্রথম রোজ একটা করে চিঠি না পেলে মনখারাপ তো করতই আর না লিখলে... না লিখলে মনে হত কি একটা বাকি থেকে গেল! চিঠি লেখার জন্যেই আমরা খুব কম সময়ে খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলাম, নারে? তোর মতই আমারো চিঠি লিখতে খুব ভাল লাগত। এখনো লাগে! তাই প্রথমবার এই দিনটায় তুই যখন একটা চিঠি চেয়েছিলি, তখনি ঠিক করে ফেলেছিলাম প্রতি বছর আর কিছু দিই বা না দিই একটা চিঠি দেবই।

তুই দিল্লীতে এখন নিশ্চয় চুটিয়ে প্রেম করছিস! তুই যেখানে যাস সেখানেই কেমন একটা প্রেমিক জুটিয়ে ফেলিস! এবার আমিও করছি। তোকে বলিনি তো! তোর দ্যুতিকে মনে আছে? সেই যে আমাদের সঙ্গেই পড়ত। ওর তো জানিসই আমার ওপর একটা চাপা ক্রাশ ছিল! তুই দিল্লী যেতেই... হাসছিস কেন? ধরে ফেলেছিস! L This is unfair! তুই প্রত্যেকবার ধরে ফেলিস! L আমি বোধহয় একটা ক্যাবলা কার্তিক হয়েই থেকে যাব! তাও একটু তোকে গুল দেওয়ার চেষ্টা করলাম। সেই আমার প্রিয় গানটার মতই! আমার আকাশ দেখা ঘুড়ি/ কিছু মিথ্যে বাহাদুরি!J

জানিস সেদিন একবার কলেজ স্ট্রীট যেতে হয়েছিল। কয়েকটা বই কিনতে। কিনে কলেজ স্ক্যোয়ারের পাশ দিয়ে হাঁটছি। সেন্ট্রাল থেকে মেট্রো ধরব। হঠাৎ ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি! কোনোরকমে রাস্তার পাশে একটা চায়ের দোকানের শেডের তলায় গিয়ে দাঁড়ালাম। হাওয়াও দিচ্ছিল বেশ। একবার দমকা হাওয়ায় গুঁড়ো গুঁড়ো বৃষ্টি এসে মুখে হাত বুলিয়ে দিয়ে গেল। ওমনি আমার হঠাৎই সেই দিনটার কথা মনে পড়ে গেল। সেদিনও আকাশ ভরা রোদের মাঝে এইরকম আচমকা বৃষ্টি নেমেছিল। আমি আর তুই ছুটতে ছুটতে বেণুদার ক্যান্টিনের শেডের তলায় গিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম তখনশেডের তলায় যাওয়ার আগেই বেশ খানিকটা ভিজে গেছিলাম। তখন তোর কানের লতিতে মুক্তোর মত টলটল করছে এক ফোঁটা জল। আর তোর সেই মাথার সামনে এসে পড়া বেয়ারা চুলগুলো, যেগুলোর জন্যে সবাই আড়চোখে তাকিয়ে তাকিয়ে তোকে দেখত, সেইগুলোতেও ছোট ছোট কাঁচের দানার মত জল জড়িয়ে। তার ওপরে পড়ন্তবেলার রোদ যখন পড়ল তোর মুখে... ভাগ্যিস সেদিন ক্যান্টিন বন্ধ ছিল। তাই খুব আনন্দ হচ্ছিল যে আর কেউ নেই যে আড়চোখে তাকিয়ে তোকে দেখবেJ তাই সেদিন হাঁ করে দেখছিলাম তোকে। তারপরেই তো তুই আমার মুখটা ধরে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলি! চায়ের দোকানটায় দাঁড়িয়ে জানিস এক পলকে সব মনে পড়ে গেল। অনেকদিন পরে তোকে দেখার আনন্দে আরেকটু হলে বইএর প্যাকেটটা ওখানেই ফেলে আসছিলাম! J

সেইসময়কার কথা মনে পড়লে মনটা এত খুশি হয়ে ওঠে যে খেয়ালই থাকে না কি করছি! এই তো পরশুদিন তুই যখন ফোন করলি তখন তো আমি অফিসে। সেদিনও আমরা বেশ নস্টালজিক হয়েছিলাম। ফোনটা রাখার কিছুক্ষণ পরে অমিতাভ এসে ঢুকেছে, ঢুকেই বলে, কি ব্যাপার? এত খুশি কিসের? দিল্লী থেকে ফোন নিশ্চয়! আমার তখন খেয়াল হল আমি আপনমনে কখন শিস দিতে শুরু করেছি!JJ

অ্যাইই! তোর আর কতদিন লাগবে? L তোর ঐ প্রফেসর প্যানেলের বাকিদের বাড়ি ফিরতে ইচ্ছে করে না? ওদেরকে বল না কোলকাতায় একজন রোজ সকালে উঠে মোবাইলের ক্যালেন্ডার খুলে হিসেব করে কদিন হল! আজকের দিনটা কাটলে ১২৭ দিন হবে!L সব কিরকম ফাঁকা ফাঁকা লাগে জানিস! চুপচাপ! আবার কোথাও গিয়ে যে একটু আড্ডা মারব, মনে হয় সবাই খুব চিৎকার করছে। মাথাব্যাথা করে তখন। রান্নাঘরে ঢুকতেও ইচ্ছে করে না। ঢুকে কার গায়ে জল ছেটাবো? কার গালে ময়দা মাখিয়ে ভুত সাজাবো? আর একা একা রান্না করতে গিয়ে কিছুই সামলাতে পারি না! L তুই যাওয়ার পরে কিছুই আর ভালো লাগে না। চিঠি লিখতেও না। খুব একা লাগে। খুব একা!

ফিরে আয় না তাড়াতাড়ি!

অর্ণব।

২৮ মে, ২০১৬

PS:

দেখেছিস! এত কথার মাঝে আসল কথাটাই ভুলে গেছি! Happy Anniversary! J




Tuesday, 27 January 2009

ফেরার মন

ফিরতে ইচ্ছে করে না, তবুও ফিরতেই হয়! কেউ বসে নেই অপেক্ষায় তবুও অপেক্ষায় থাকার জন্যে, যেতে না চাইলেও আবার ফিরে আসার জন্যে ফিরতেই হয় প্রথম সাক্ষাতের বিদায়বেলায় পেছন ফিরে ঘষা লেগে আবছা হয়ে যাওয়া বাসের কাঁচ ভেদ করে তাকানো! সেই দৃষ্টির উষ্ণতা পিছু নেয় অজান্তেই ভিজে যাই বৃষ্টিতে!

কানের কাছে তবু যেন অনেক দূর থেকে ভেসে আসে ‘অন্তহীন’এর গান “যাও পাখি বলো/ হাওয়া হাওয়া ছলোছলো/ আবছায়া জানলার কাঁচ!/ আমি কি আমাকে হারিয়েছি বাঁকে/ রূপকথা আনাচ কানাচ!” শ্রেয়া ঘোষালের গলা ছাপিয়ে দিদিমণির গলা ‘বলো তো ডগ কিভাবে ডাকে?’ আদুরে গলায় সপ্রতিভ উত্তর ‘ভৌ ভৌ’ জানলা দিয়ে চোখ মেলতেই কান এঁটো করা হাসিমুখে ‘মীরের পুনর্জন্ম’ টুকরো টুকরো হয়ে ভাসতে থাকে একতা হাইট্‌সের গায়ে ক্রসিং-এ লালবাতি খাওয়া গাড়িগুলো বোকা হাসি মুখে নিয়ে অপেক্ষা করে একশ কুড়ি কখন দু’টো শূন্য হবে! হঠাৎ ব্রেক চেপে দাঁড়িয়ে পড়া মোটরবাইকের ছেলেটার কাঁধ চেপে ধরে একটা হাত ভরসা খোঁজে সাইকেল এসে থমকে যায় এক ঝাঁক ছুটন্ত গাড়ির সামনে আমি কেন পারি না ওরকম একটা সাইকেল নিয়ে থেকে যেতে!

‘আর ক্যাট?’ চটপট উত্তর আসে ‘ম্যাও ম্যাও’ বারবার বেল বাজানো খালাসিকে ধমকায় ড্রাইভার সাদার্ন অ্যাভেন্যু ধরতেই দু’পাশের সবকিছু দুরন্ত বেগে পিছিয়ে যায় আরে! সেই পেট্রোল পাম্পটা না! কে যেন শুনতে পেয়ে যায় মনের উচ্ছ্বাস! ওই পাম্পটার পাশে যেতেই সে আবার লালবাতি দেখায় পকেটটা কেঁপে ওঠে, চিন্তার জাল ছিঁড়ে যায় মেসেজ! অল্প হাসি, অল্প উত্তেজনা আর অল্প ‘ইয়ে’ নিয়ে ‘show’ করি ‘Get hot babes on your mobile for free. Just call 56565. Rs. 6/min.’ হঠাৎ ভেসে আসা একটা মন ভালো করা গন্ধ খিঁচড়ে যাওয়া মনটাকে আবার ফিরিয়ে আনে লেক মার্কেট কালো চশমা পরে একটা বুড়ো গন্ধরাজের স্টিক নিয়ে বসে থাকে খদ্দেরের আশায় আশা তো আমার কাছে আছেই আমি কেন পারি না ওরকম ফুল নিয়ে থেকে যেতে!

গুটিসুটি মেরে শুয়ে থাকা কুকুরের বাচ্চাটা মাঝে মাঝে মুখ তোলে আকাশের দিকে এক মুঠো রোদ্দুরের প্রতীক্ষা বিরক্তি আর বিস্ময় নিয়ে হেলমেটহীন বাবার কাছ থেকে পুলিশের টাকা গোনা দেখে ফুটফুটে একটা মেয়ে ‘গুড বয়! আর মাউস কিভাবে ডাকে?’ টেক স্যাভি বাচ্চার রেডিমেড উত্তর ‘ক্লিক ক্লিক’! আরো বড় হলে হয়ত জানবে মাউস আরো অনেকভাবে ডাকে, শুধু শোনার কান চাই একটা বেলুন ভিড়ের মধ্যে থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে হারিয়ে যায় রাতের কালো আকাশে হঠাৎই খেয়াল হয় ‘সুগার অ্যান্ড স্পাইস’এর সুগারে দু’টো আর হাওড়া ব্রীজ পেরিয়ে লোকের ঢল নামে কোলকাতায় আমি কেন পারি না ওই লোকগুলোর সঙ্গে মিশে গিয়ে থেকে যেতে!

আচ্ছা, বেলুনটা কি ওই তারাটার কাছে চলে গেল? যে তারাটাকে আমার খুব নিজের মনে হয়, ইচ্ছে করে খুলে নিয়ে তোকে দিই! যে তারাটাকে নিয়ে গুন্‌গুন্‌ করি...

‘আমার রাতজাগা তারা, তোমার আকাশছোঁয়া বাড়ি
আমি পাই না ছুঁতে তোমায়, আমার একলা লাগে ভারী




Thursday, 22 January 2009

বসন্তের কাঁটা

বসন্ত সমাগম হইবার পূর্বেই খড়্গপুর আই আই টির 'বসন্ত উৎসব' পালনের বদভ্যাসটি এই বৎসর পঞ্চাশ বর্ষে পদার্পণ করিল। অবধারিতভাবে ইহার সুবর্ণজয়ন্তীপালন প্রচেষ্টার অতিরঞ্জন মাসাধিককাল যাবৎ চলিতেছিল আজ সেই অতিরঞ্জনের সমাপ্তিদিবস সন্ধ্যা (সত্য সত্যই বসন্ত হইলে বিকাল বলা যাইত) পাঁচ ঘটিকায় উদবোধন অনুষ্ঠান আরম্ভ হইবার কথা কিন্তু এতকাল যাবৎ এই স্থানে বাস করার অভিজ্ঞতাজনিত প্রাপ্ত জ্ঞান হইতে ঘরে বসিয়াই অনুমান করিতে পারি যে এই লেখাটি প্রকাশের সময় উক্ত ঘটনাটি আরম্ভ হইবে হইবে করিতেছে গতবৎসর হইতেই 'বসন্ত উৎসব' পরিচালকমন্ডলীর মধ্যে খ্যাতনামা পাশ্চাত্য বাজনদলের অনুকরণে গড়ে ওঠা হালে পানি না পাওয়া এবং কয়েকটি শ্বেতাঙ্গ সমন্বিত বাজনদল নিয়ে আসার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাইতেছে সেই ধারাকে বজায় রাখিয়া এইবার তাহারা উদবোধন সন্ধ্যায় পরিবেশন করিতেছে 'Led Zeppelin'-এর রেপ্লিকা 'Led Zepplica' আমি আজন্ম ওই রসে বঞ্চিত উহা পান করিয়া আমার কান কটকট এবং মাথা বনবন ব্যতীত আর কিছু হয় না

তবে 'বসন্ত উৎসব'এর নামমহিমা বজায় রাখতে ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থান হইতে অসংখ্য যুবক এবং তদধিক যুবতী ইতিমধ্যেই আসিয়া উপস্থিত আজ সারাদিনে অনেকগুলি নতুন মুখের দর্শন এবং আপাতদৃষ্টিতে যুবতী ও পুরুষের অনুপাতের বৃদ্ধি লক্ষ্যণীয় যদিও সেই অনুপাত বৃদ্ধি কতটা নান্দনিক এবং কতটা নামমাত্র তা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ রয়েছে উক্ত বিষয়টিতে আমি নামজাদা বিশেষজ্ঞ নই তবে বসন্ত না আসিলেও বসন্ত উৎসব শরীরে ও মনে নিদারুণ হুল ফুটাইয়া দেয় সে যন্ত্রণা বড়ই বিষণ্ণ ও কাতর করিয়া দেয় তাহার উৎপাত হইতে পলায়ন ব্যতীত দ্বিতীয় কোনো পথ খোলা পাইতেছি না!

একেই ঘুম থেকে উঠেই আজ Spring Fest শুরু ভাবতেই ওটার বাংলা যে 'বসন্ত উৎসব' মনে পড়তেই মনে টান পড়ল, তাতেই এই বেরল! তার ওপরে বসন্ত বসন্ত করতে করতে রবিদাদুর একটা গান মনে পড়ল...

"আহা আজি এ বসন্তে
এত ফুল ফোটে, এত বাঁশি বাজে
এত পাখি গায়...
আহা আজি এ বসন্তে-
সখীর হৃদয় কুসুমকোমল
কার অনাদরে আজি ঝরে যায়
কেন কাছে আস, কেন মিছে হাস
কাছে যে আসেতো...
সে তো আসিতে না চায়!
সুখে আছে যারা
সুখে থাক তারা
সুখের বসন্ত
সুখে হোক সারা..."

মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে মনটাকে ঠোঙ্গা বানিয়ে ঝালমুড়ি খাই!

Saturday, 10 January 2009

My First English Informal

At the middle of the night or should I say early morning! Umm... 'middle of the night' sounds more adventurous. Let it be so. It's 4:00 am IST as my lappy shows me and I'm feeling very happy. Sometimes I feel lonely. To be truthful there is some time I don't feel lonely. Well, there are two type of loneliness. One, you enjoy and another you can't take. Today I'm enjoying. And the day I wrote my last post, it was 'another' one.

Any guesses in your mind? Why I'm so happy!
Are you thinking ... Oh! That's a good guess, I mean wild!

At this hour of night, after a 5 hour long rehearsal of Hindi drams when I was returning to my room from common room I remembered something. I remembered something that make my heart smile, that make my life a bit better for tonight, that make my loneliness beautiful! I remembered something that proves the statement wrong, which I made in my last post! That depressed post is not my first post of New Year! My first post was a 'ছড়া', not as a post but in Blogger. I can count it! Ah ha! There is someone who has an objection. Ok. let me put it here also.

হঠাৎ করে আরেকটা
বছর হল শেষ!
থাকতো যদি আর কিছুদিন
ভালো হত বেশ
:(

আট-কে কাল আটকে দিয়ে
এল দু'হাজার নয়,
মিলেমিশে এটাকেও
করবো enjoy!
:) :) :)

এই আমাদের প্রতিজ্ঞা
এই আমাদের আশা...
নতুন দিনে দিলাম তোকে
নতুন ভালোবাসা

Let's make it a Happy New Year!


বাঙ্গালীর ছেলে তো! খুশি হলে আপনিই সাহেবিয়ানা জেগে ওঠে! আফটার অল আই অ্যাম আ বং ড্যুড!
:) :) :)